self September 6, 2026 (Last updated: September 6, 2026) 1 minute read 0 comments
জামাত ইসলামের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান ও সিফাত। ছবি:সংগৃহীত
মানবাধিকার কন্ঠ প্রতিবেদক
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সিফাত নামে এক তরুণের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাকে গ্রেপ্তার করে ‘হয়রানি’ করা হয়েছে। তিনি সিফাতকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার দাবি করে বলেছেনন, ‘জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে মানুষও কাউকে ছাড় দেবে না’।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামাত আমীর শফিকুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, ‘অতিষ্ঠ ও বিরক্ত’ হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিলো, তার জন্য বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ‘দলীয় সন্ত্রাসীরা’ থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোয় ভালোয় ছেড়ে দেন।’
সিফাতকে গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে তিনি আরও হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি একদম ওলটপালট করে দিয়েছিলো। কখন যে পঁচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।’
জামাত আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সিফাতের মুখের ভাষাকে তারা সমর্থন করছেন না। তবে যে বিষয় নিয়ে ওই তরুণ প্রতিবাদ করেছে, সেই বিষয়ে দেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাতের মতো প্রতিবাদী হয়ে উঠবে’।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট। ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সঙ্গে সপ্তম দফা হবে—কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জনগণ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ উল্লেখ করে জামায়াত আমির শফিকুর বলেন, ‘দুর্নীতিবাজদের হাতে মানুষের অধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি এসব সেবার বিলও নিয়মিত দিতে হচ্ছে। গ্যাস না থাকলেও গ্যাসের বিল এবং বিদ্যুৎ না থাকলেও ‘ভূতুড়ে বিল’ দিতে হচ্ছে’। ঢাকাবাসীর উদ্দেশে জামাত আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায় এর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি—জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’